নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় কৃষক দল, আলোচনায় যেসব নাম

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২৬, ১১:২০ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনে সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও কৃষকদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। ইতোমধ্যে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তারেক রহমান। আগামী মাসে কৃষকদলের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংগঠনগুলোকে আরও গতিশীল ও কর্মসূচিমুখী করতে নতুন নেতৃত্ব আনা হচ্ছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও সম্প্রতি জানিয়েছেন, দলীয় অঙ্গসংগঠনের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

সর্বশেষ ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি ও শহিদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে কৃষকদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে একই বছরের ডিসেম্বরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হলেও সেই কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। বর্তমানে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনই রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকায় নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো হয়েছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদলের সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম এবং সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান (ভিপি ইব্রাহিম)।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন এমপি, যুগ্ম সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ এবং কৃষকদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহাদত হোসেন বিপ্লব।

তবে সাধারণ সম্পাদক পদে কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্য থেকেও কেউ গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেন বলে দলীয় অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মতে, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে কৃষকদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে এবং মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।



বিষয়:



Top