স্বজন-প্রতিবেশীদের সাক্ষ্যে আদালতে উঠে এলো রামিসা হত্যা মামলার ভয়াবহ চিত্র
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার স্বজন, প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাদের বক্তব্যে ১৯ মে সংঘটিত ওই নৃশংস ঘটনার হৃদয়বিদারক বর্ণনা উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রামিসার বাবা-মা, বড় বোনসহ স্বজন ও প্রতিবেশীরা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যদানে তারা মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার, রক্তাক্ত ঘরের দৃশ্য এবং অভিযুক্ত সোহেল রানার পালিয়ে যাওয়ার বিষয় তুলে ধরেন।
আদালতে রামিসার চাচি জানান, নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে বাসায় গিয়ে তিনি খাটের নিচে এক পাশে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পান। রামিসার চাচা মিজানুর রহমান লিটন বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি রক্তাক্ত ঘর ও একটি বালতির মধ্যে শিশুটির বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পান।
প্রতিবেশী মনির হোসেন ও জাকিরুল ইসলাম রাজনও আদালতে জানান, দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশের পর তারা রক্তাক্ত পরিবেশ ও খাটের নিচে রামিসার মরদেহ দেখতে পান। এ সময় অভিযুক্তের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত স্বপ্না খাতুনকে ঘটনাস্থলে দেখতে পান বলে তারা উল্লেখ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যে প্রতিবেশী আবু সামা জানান, ঘটনার দিন সকালে পাশের বাসার জানালা বেয়ে এক ব্যক্তিকে নিচে নামতে দেখে তিনি চোর সন্দেহে চিৎকার করেন। পরে সংবাদমাধ্যমে ছবি দেখে তিনি নিশ্চিত হন, ওই ব্যক্তি আসামি সোহেল রানা।
এদিন আরও সাক্ষ্য দেন পুলিশ সদস্য রুমা আক্তার। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, সাক্ষীদের বক্তব্যে ধর্ষণ ও হত্যার পর আসামির গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।
মামলায় এ পর্যন্ত ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ আদালতের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলবে
বিষয়:
