রামিসা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, আদালতে সোহেল ও তার স্ত্রী

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২ জুন ২০২৬, ১১:০৪ এএম

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে আনা হয়। এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে কারাগার থেকে এনে হাজতখানায় রাখা হয়েছিল দুই আসামিকে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সাক্ষী এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাক্ষী।

সাক্ষীদের তালিকায় রয়েছেন মামলার বাদী ও রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী মিজানুর রহমান লিটন, শেখ আবু সামা, মনির হোসেন, রাইসা আক্তার, জাকিরুল ইসলাম রাজু, মাহমুদা খাতুন, মনিরুজ্জামান শাহীন, পারভীন আক্তার, রাশেদুল ইসলাম, শরীফ মিয়া, রুমা আক্তার, ইকবাল হোসেন, ইসহাক আলী, ফরেনসিক জীবাণুবৈজ্ঞানিক পরিচয় বিশেষজ্ঞ শুভাজয় বৈদ্য এবং তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

এর আগে সোমবার আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে জমা দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এর আগে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একই ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:



Top