বেনাপোল সীমান্তে চামড়া পাচারের আশঙ্কা, কঠোর নজরদারিতে বিজিবি

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২৬, ১২:০৪ পিএম

সংগৃহীত

কোরবানির পশুর চামড়া এবারও সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিন বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চামড়ার বাজারে চরম হতাশা বিরাজ করছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির পাশাপাশি পুলিশের টহলও জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোরবানির পর চামড়া পাচারের আশঙ্কা যতদিন থাকবে, ততদিন এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

সরকার চলতি বছর গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ালেও বাস্তবে সেই দামের সুফল পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। অনেকেই বলছেন, বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে কম দামে চামড়া বিক্রি করছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের কোনো মিল নেই। ফলে কিছু ক্ষেত্রে বেশি দামের আশায় অনেকে পাচারকারীদের কাছে চামড়া বিক্রি করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চামড়ার দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রতি বছরই কোরবানির সময় সীমান্ত দিয়ে পাচারের চেষ্টা দেখা যায়। তবে এ বছর কঠোর নজরদারির কারণে তা প্রতিরোধে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক তাপস কুমার আঢ্য বলেন, চামড়া পাচার প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ কাজ করছে এবং সীমান্ত এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে ট্যানারি মালিকরা চলতি বছর প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ লাখ পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন বলে জানা গেছে।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:



Top