কদমতলীতে সাত বছরের শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২৬, ০৯:২২ পিএম
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় সাত বছরের শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক ভাড়াটিয়া মায়া আক্তারের জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে হত্যার নৃশংস বর্ণনা উঠে এসেছে।
পুলিশ জানায়, রুটি ও কলা খাওয়ানোর প্রলোভনে শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ একটি চালের ড্রামে ভরে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে গেন্ডারিয়ার ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কদমতলীর খানকা শরীফ পুকুরপাড় এলাকায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু রিফাত। দীর্ঘ সময় তাকে না পেয়ে পরিবার মাইকিংসহ বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করে এবং পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।
পরদিন গেন্ডারিয়ার লোহারপুল এলাকায় একটি ময়লার ভাগাড় থেকে উদ্ধার হওয়া চালের ড্রাম থেকে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। শুরুতে কোনো সূত্র না মিললেও মরদেহে মোড়ানো একটি পোশাক তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু হিসেবে কাজ করে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ মায়া আক্তারকে শনাক্ত করে।
সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে একটি ড্রাম অটোরিকশায় করে বাসা থেকে বের হতে দেখা যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়টি বেরিয়ে আসে।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে একই ভবনে থাকতেন মায়া আক্তার। একটি মোবাইল ফোন হারানোকে কেন্দ্র করে সন্দেহের জেরে ক্ষোভ থেকে তিনি শিশুটিকে লক্ষ্য করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে চুরির কথা স্বীকার করাতে চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হওয়ায় খাটের সঙ্গে মাথা থেঁতলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ লুকাতে চালের ড্রামে ভরে রাতভর রেখে পরদিন গেন্ডারিয়ার ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:
