মায়ের বাগান বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কারিনা কায়সার

সারাদেশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অকাল প্রয়াত দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের দাফন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সকাল ৭টায় উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে অবস্থিত আব্দুল্লাহপুর গ্রামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ওই গ্রামের নানীর বাগানবাড়ির আঙিনায় তাকে সমাহিত করা হয়।

কারিনা কায়সার জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির কন্যা। তিনি গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া সরকার বাড়ির প্রয়াত চিকিৎসক ডা. আবুল খায়ের বাচ্চু ও ডা. জোহরা খানম পারুলের নাতনী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় রোববার রাতের সব আনুষ্ঠানিকতা ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাতেই মরদেহ গজারিয়ায় নেওয়া হয়। তার নানা বাড়ি পুরান বাউশিয়া গ্রামে হলেও নানী ডা. জোহরা খানম পারুলের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাগানবাড়িতেই মরদেহ রাখা হয় এবং সেখানেই দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। প্রিয় তারকাকে শেষ বিদায় জানাতে স্থানীয়ভাবে মাইকিংও করা হয়।

সোমবার সকালে জানাজায় স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। তবে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিবেশে সম্পন্ন করা হয়। সেখানে মোবাইল বা ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল, এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

দাফন শেষে কারিনা কায়সারের ছোট ভাই সাদাত হামিদ গণমাধ্যমকে জানান, ঢাকায় তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে দাফনের সময় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত ভিড় ও প্রচার এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন কারিনা কায়সার। গত শুক্রবার ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। রোববার বিকেলে বিমানযোগে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে তার পিতা কায়সার হামিদসহ স্বজনরা অশ্রুসিক্ত নয়নে গ্রহণ করেন। এরপর ঢাকায় জানাজা ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ গজারিয়ায় আনা হয়।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:



Top