বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের নোনাডাঙা এলাকায় ঘের দখল, মাছ ও ধান লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগে নোনাডাঙা এলাকার হাবিল (পিতা: আব্দুল লতিফ), মিরাজ (পিতা: আব্দুল কুদ্দুস), ছোট (পিতা: মৃত জলিল শেখ)সহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, যিনি বাগেরহাট পৌর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এবং সাবেক জেলা শিবিরের সভাপতি হিসেবে পরিচিত, জানান— তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ২২ বিঘা জমিতে ঘের করে বৈধভাবে ভোগদখল করে আসছেন। জমির সকল বৈধ কাগজপত্র তার কাছে রয়েছে এবং নিয়ম মেনেই তিনি জমি ব্যবহার করে আসছিলেন।
তার অভিযোগ, হঠাৎ করেই স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র জোরপূর্বক তার ঘের দখল করে নেয়। এ সময় ঘের থেকে আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার মাছ লুট করা হয় এবং জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা পুনরায় ঘের দখল করে এবং তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। তবে এ ঘটনার পেছনে কারা ইন্ধন দিচ্ছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের কাছে আইনি সহায়তা কামনা করেছেন। একইসঙ্গে নিজের জমি পুনরুদ্ধার এবং দখলকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।