পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার চালুর পর একদিনেই ১২ জন বাংলাদেশি আটক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৫ মে ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
রাজ্য সরকারের নির্দেশনা জারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। চালুর একদিনের মধ্যেই মালদা ও মুর্শিদাবাদে অভিযান চালিয়ে ১২ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, মালদার ইংরেজবাজার এলাকায় অবস্থিত হোল্ডিং সেন্টারে ৯ জন এবং মুর্শিদাবাদের লালগোলার পদ্মাভবনে আরও ৩ জনকে রাখা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মালদায় আটক ৯ জনের মধ্যে তিনজন নারী ও ছয়জন শিশু রয়েছে। তারা গাজোল মহকুমার পান্ডুয়া এলাকা থেকে আটক হন বলে জানা গেছে। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর জেলার মিঠাপুকুরে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে মুর্শিদাবাদে আটক তিনজন হলেন মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ রুবেল ও শরিফুল ইসলাম। তাদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিয়ে বিস্তারিত যাচাই চলছে।
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, অবৈধভাবে অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো জরুরি এবং রাজ্য ও দেশকে সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয় হলেও সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে দিকেও নজর রাখা উচিত।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের দপ্তর সংলগ্ন এলাকায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের এখানে রাখা হবে এবং পরবর্তী সময়ে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৫ সালে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছিল। নতুন নীতির অংশ হিসেবে রাজ্যজুড়ে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতির কথা আলোচনায় এসেছে।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:
