তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া জোসেফ বিজয়। তাঁর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেছে। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন এই মন্ত্রিসভা।
রবিবার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি আরও ৯ জন মন্ত্রী শপথ নেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তরুণ নেতৃত্ব, প্রযুক্তি ও জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে এই মন্ত্রিসভা।
প্রবীণ রাজনীতিক ও এআইএডিএমকে দলের সাবেক নেতা কে এ সেনগোত্তাইয়ান এই মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি অতীতে এমজিআর ও জয়ললিতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। দলীয় মতবিরোধের কারণে তাকে পরে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাঁর অন্তর্ভুক্তিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিজয়ের কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে রয়েছেন আধাভ অর্জুন, যিনি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং ভিলিভাক্কাম আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।
মাদুরাইয়ের থিরুপারানকুন্দ্রাম থেকে জয়ী নির্মল কুমারও মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। তিনি পূর্বে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরে বিজয়ের দলে যোগ দেন।
দলের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ টি নগর আসন থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সংগঠন শক্তিশালী করতে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্কৃতি ও বিনোদন জগত থেকে আসা রাজ মোহনও মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। তিনি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতে পরিচিত মুখ।
দন্ত চিকিৎসক থেকে রাজনীতিতে আসা ডা. টি কে প্রভু কারাইকুডি আসন থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন।
ভারতীয় রাজস্ব পরিষেবা থেকে রাজনীতিতে আসা অরুণ রাজ তিরুচেঙ্গোড় আসন থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন।
মাইলাপোর আসনের বিধায়ক পি ভেঙ্কটরামানানকেও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে মন্ত্রিসভায় রয়েছেন এস কীর্তনা। তিনি অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।