এক এক করে অঙ্গ কেটে ধর্ষককে শাস্তি, সামনে বসে দেখছিল ধর্ষিতার পরিবার
চিত্তবিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ২২ মে ২০২৬, ১০:১০ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে অস্ট্রেলিয়ার আলোচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিসাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’। প্রায় ১২ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন ম্যাথু রিচার্ড।
চলচ্চিত্রের কাহিনিতে দেখা যায়, উইলি বিংহাম নামের এক ব্যক্তি একটি শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। তবে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড না থাকায় আদালত তাকে ভিন্নধর্মী এক শাস্তি দেয়। যার নাম ‘ধাপে ধাপে অঙ্গচ্ছেদ’।
এই শাস্তির আওতায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একে একে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে ফেলা হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা চাইলে শাস্তির মাত্রা আরও বাড়ানোর সুযোগও পান।
চলচ্চিত্রে দেখানো হয়, ধাপে ধাপে তার হাত, পা, কিডনি, ফুসফুসের অংশ, যৌনাঙ্গ, কান, নাক ও জিহ্বার অংশ কেটে ফেলা হয়। পরিবারের অনেকেই সেই দৃশ্য সহ্য করতে না পারলেও নিহত শিশুর বাবা প্রতিবারই শান্তভাবে অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করতে থাকেন।
চলচ্চিত্রটির শেষ অংশে সবচেয়ে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শেষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে উইলিকে মৃত্যুর সুযোগ দেওয়া হলেও শিশুটির বাবা সেই অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। বরং মৃত্যুর পরিবর্তে তাকে যন্ত্রণাময় ও পঙ্গু জীবন নিয়েই বেঁচে থাকার শাস্তি দেওয়া হয়।
বিচার, প্রতিশোধ ও মানবিকতার জটিল প্রশ্ন তুলে ধরার কারণে চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে।
বিষয়:
