জিয়ার কর্মময় জীবন নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৩০ মে ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে জীবনযাপন, প্রশ্নাতীত সততা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম জাতির হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়ার কর্মময় জীবন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা, স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা এবং জীবনাদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি নির্মমভাবে নিহত হন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তাঁর অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জানান। তাঁর সেই ঘোষণা ও আহ্বান সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সুস্পষ্ট রূপরেখা।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় জিয়াউর রহমান ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশ পরিচালনায় স্বল্প সময় পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন। তাঁর সেই নেতৃত্ব ও কর্ম আজও জাতির জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:
