হজের প্রথমদিনে তাঁবুতে গিয়ে হাজীদের খোঁজ নিচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৫ মে ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

সংগৃহীত

পবিত্র হজের প্রথম দিন আজ সোমবার (২৫ মে)। এদিন সকাল থেকেই মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে তাঁবুর শহর মিনা।

গত রাতেই (২৪ মে) হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা দেন। বর্তমানে তাঁবুগুলোতে চলছে হজের মাসআলা-মাসায়েলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আলোচনা।

এ সময় বিভিন্ন তাঁবুতে গিয়ে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের খোঁজখবর নেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, হাজিরা আজ মিনায় অবস্থান করে ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। পরদিন আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওনা দেবেন তারা।

হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত আরাফাতের দিনে হাজিরা সেখানে খুতবা শোনার পর যোহর ও আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এই অবস্থানকেই হজের মূল রুকন হিসেবে গণ্য করা হয়।

এরপর সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন তারা মিনায় ফিরে শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার মতো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।

জিলহজ মাসের ১১ ও ১২ তারিখে হজের শেষ কার্যক্রম সম্পন্ন করে মিনায় অবস্থান শেষ করবেন হাজিরা।

এ বছর হজ ব্যবস্থাপনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। অনুমতিপত্র ছাড়া কেউ যেন হজে অংশ নিতে না পারে সে বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। পথে পথে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং প্রত্যেক হাজীর জন্য ‘নুসুক’ কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তীব্র গরমের কারণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাঁবুর ভেতরে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি প্রশাসন। একই সঙ্গে সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা, ছাতা ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:



Top