ঢাকায় নেপালের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল প্রদর্শনী

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২৬, ১১:১৩ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও নেপালের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও গভীর করার লক্ষ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নেপাল উৎসব ২০২৬’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এ উৎসব উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের গভীর বন্ধনে আবদ্ধ। ভৌগোলিকভাবে আলাদা হলেও দুই দেশের সংস্কৃতি, আতিথেয়তা ও সম্প্রীতির চেতনা তাদেরকে এক অভিন্ন বন্ধনে যুক্ত করেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিভাজন ও অসহিষ্ণুতার বিপরীতে সংস্কৃতিই হতে পারে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক সংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। বৈচিত্র্য কখনো বিভেদের কারণ নয়; বরং তা সৃজনশীলতা ও ঐক্যের অনন্য শক্তি হিসেবে কাজ করে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করে।

নেপালের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নেপালের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। ভবিষ্যতে সংস্কৃতি, পর্যটন, শিক্ষা, যুব বিনিময় এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারীসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পী, পরিবেশক, রন্ধনশিল্পী ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকরা নেপালের ঐতিহ্যবাহী খাবার, সংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগের সুযোগ পেয়েছেন, যা দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।



বিষয়:



Top