শিক্ষা খাতকে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে সরকার, প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৫ মে ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

ছবি: সংগৃহীত
 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা খাতকে সরকার জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আজ ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সম্মেলনকক্ষে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা: কর্ম-অভিজ্ঞতা ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত মানের শেখার দক্ষতা অর্জিত হয়নি। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকলেও তাদের বড় একটি অংশ বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। এ অবস্থায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে সরকার বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের চার থেকে দশ বছর বয়সী শিশুদের মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য। তবে বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, তৃতীয় শ্রেণিতে পড়েও অনেক শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। জাতীয় পর্যায়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে পিছিয়ে রয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ঝরে পড়া ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক কার্যক্রম চালু করা হবে। শেখার ঘাটতি পূরণে লার্নিং সার্কেল, স্থানীয় পর্যায়ের সম্পৃক্ততা, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী সভাপতির বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা সংস্কারের একটি বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে একটি গ্রন্থে, যেখানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ব্যবস্থা ও দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 
 
 


বিষয়:



Top