ধূমপান কমাতে সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ০৭:২১ পিএম

সংগৃহীত

যুবসমাজকে ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখতে, অকালমৃত্যু কমাতে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সিগারেটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তামাকবিরোধী দুটি সংগঠন। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ১৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, সিগারেটকে চারটি মূল্যস্তরে ভাগ করে কর কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করা হলে একদিকে যেমন তামাকের ব্যবহার কমবে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। প্রস্তাবিত চারটি স্তর হলো— প্রিমিয়াম, উচ্চ, মাঝারি ও নিম্ন।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রিমিয়াম স্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের খুচরা মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এর সঙ্গে ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক ও নির্দিষ্ট কর যুক্ত হলে প্রতিটি সিগারেটের দাম দাঁড়াবে প্রায় ৩৫ টাকা।

উচ্চ স্তরের ক্ষেত্রে ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকার দাম হবে প্রায় ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা।

অন্যদিকে, মাঝারি ও নিম্ন স্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ৮০ ও ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। এতে প্রতিটি সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য দাঁড়াবে ১৭ টাকা ১ পয়সা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশে ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান। প্রতি বছর তামাকজনিত রোগে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

তাদের মতে, সিগারেটের দাম বাড়ানো হলে তরুণদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ও হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে সরকারের কর আদায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:



Top