রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করার হাতিয়ার: সংস্কৃতি মন্ত্রী

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১ মে ২০২৬, ১২:২৮ এএম

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করার অন্যতম হাতিয়ার।

শুক্রবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের সূর্যকিরণ। সূর্য যেমন আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করে, তেমনি তাঁর কালজয়ী সাহিত্য আমাদের চেতনার অন্ধকার দূর করেছে।”

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন মানবতাবাদী ও কৃষকদরদি ব্যক্তিত্ব। প্রজাদের সঙ্গে তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং প্রচলিত জমিদারি প্রথা থেকে ভিন্ন। তিনি শিলাইদহ কুঠিবাড়িকে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতির জীবন্ত স্মারক উল্লেখ করে জানান, সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এটিকে পূর্ণাঙ্গ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক স্মারক বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ ড. ওয়াকিল আহমেদ

এছাড়া বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসান

আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী কুঠিবাড়ির জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং কবির সংরক্ষিত স্মৃতিচিহ্ন ঘুরে দেখেন। পরে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী শ্রেহা খাতুন-এর পরিবেশনায় উদ্বোধনী সংগীতের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

তিনদিনব্যাপী এ উৎসবে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও নাটকসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।



বিষয়:



Top