মে মাসের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২৬, ১১:৪৫ পিএম

সংগৃহীত

চলতি মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে মে মাসজুড়ে দেশে একাধিক দফা কালবৈশাখী, বজ্রঝড় এবং তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, মে মাসের ১৫ তারিখের পর বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা শেষে প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, মে মাসে দেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে। সেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রংপুর, ঢাকা, বরিশাল, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগেও বিভিন্ন মাত্রার বৃষ্টিপাত হতে পারে।

এছাড়া মে মাসে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় এবং ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

তাপমাত্রা সম্পর্কে পূর্বাভাসে বলা হয়, চলতি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে ১ থেকে ৩ দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং একটি তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

নদ-নদীর পরিস্থিতিতে বলা হয়েছে, প্রধান নদীগুলোর প্রবাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানির স্তর বাড়তে পারে।

এছাড়া কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে গড় বাষ্পীভবন ৩ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৭ ঘণ্টা থাকতে পারে, যা কৃষিকাজের জন্য মোটামুটি সহায়ক হবে।

এর আগে এপ্রিল মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টিও হয়েছে।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:



Top