৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উত্থাপন, মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব

বানিজ্য ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২ জুন ২০২৬, ০২:২৩ এএম

সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে তিনি এ বাজেট উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনের পর এটি প্রথম জাতীয় বাজেট।

‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ : ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

প্রস্তাবিত বাজেটে অবকাঠামো উন্নয়নের তুলনায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

বাজেটে উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিলে ২২৫ কোটি টাকা এবং এসএমই খাতের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন, ২৫ লাখ নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে নতুন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আগামী অর্থবছরে জিডিপির আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে সংগ্রহ করা হবে। সম্ভাব্য বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে ‘বাংলাবিজ’ নামে সমন্বিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর পরিকল্পনার কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এনবিআরের কার্যক্রম আরও ডিজিটাল ও অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



বিষয়:



Top