মুরগিতে স্বস্তি, বাড়তি দামে চাপে সবজির বাজার

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২১ মে ২০২৬, ০৯:১৩ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে বেশিরভাগ সবজির দাম। আলু, লাউ, ফুলকপি, গাজরসহ বিভিন্ন সবজি কিনতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তবে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে মুরগির বাজারে। ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে রাজধানীর রামপুরা, মেরাদিয়া ও বনশ্রীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে দেখা যায়, সপ্তাহের শুরুতে ৮০ টাকা কেজির টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। ১০০ টাকার গাজর বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা। এছাড়া ৮০-৯০ টাকার ফুলকপি এখন ১০০ টাকার নিচে মিলছে না।

একইভাবে প্রতি পিস লাউ, যা গত সপ্তাহেও ৭০-৮০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। নিম্ন আয়ের মানুষের অন্যতম ভরসার সবজি আলুর দামও বেড়েছে। আগে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন তা ৩০ টাকায় উঠেছে।

তবে কিছু সবজির দামে সামান্য স্বস্তি এসেছে। লম্বা বেগুনের কেজি ১২০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১০০ টাকা। মুলা ৮০ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

অন্যদিকে আগের মতোই ঢেঁড়স ৬০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, পটল ৮০ টাকা এবং পেঁপে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারে ঊর্ধ্বগতির মাঝেও কমেছে মুরগির দাম। এক সপ্তাহ আগে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৯০ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা ১৮০ টাকায় নেমেছে। কোথাও কোথাও ১৭৫ টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ৩৭০ টাকার সোনালী মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়।

তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে পাকিস্তানি লেয়ার মুরগির বাজারে। সপ্তাহখানেক আগে ৩২০-৩৩০ টাকা কেজি থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৪০০ টাকায় পৌঁছেছে।

রামপুরা কাঁচাবাজারে সবজি কিনতে আসা স্কুল শিক্ষক দিদার হোসেন বলেন,
“আমাদের কথা কেউ ভাবে না। একসময় একসঙ্গে অনেক ধরনের সবজি কেনা যেত, এখন টাকায় কুলায় না। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী দু-একটা সবজি কিনেই চলে যেতে হয়।”

বাজারের সবজি বিক্রেতা জুবায়ের বলেন,
“অনেক সবজির মৌসুম শেষের দিকে। তাই পাইকারিতেই দাম বেশি। বেশি দামে কিনলে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব না।”

মেরাদিয়া বাজারের বিক্রেতা রিয়াদ হোসেন বলেন,
“দু-একটা সবজির দাম কমলেও বেশিরভাগেরই দাম বাড়তি। বাজার এখন এমনভাবেই চলছে।”



বিষয়:



Top